পিয়াংকী
অনির্বাণ, তুমি নি:শুল্ক
বাজনা
... থেকে সভ্যতা, নিভছে রাস্তা। ঢোল ফাটার আওয়াজে উড়ে গেছে পাখপাখালি। এখন মা দুর্গার বরণ হবে। স্বয়ং রামচন্দ্র আসবেন মন্ডপে।
নিরাময়
... কিনতে কিনতে ফতুর হয়ে গেছি।
আজকাল লুকিয়ে রাখি সক্রেটিসকে। আয়নায় জল জমে, ঝাপসা নিজের মুখটুকুও। রামচরিতকথা শোনা শেষ হলে কানে তুলো গুঁজে দেব।
কঙ্কাল
... নামিয়ে কাঠামোয় কে যেন লেপে দিচ্ছে মাটি। চোখ ব্যথা। চক্ষুদান করছেন যিনি তার আঙুলের নিচে প্রাচীন প্রলেপ । পৌরাণিক তুলোতে তাই মুছে নিচ্ছি চোখের জ্যোতি...
ডুবসাঁতার
... না জানলেও ক্ষতি তেমন নেই,যদি না
তোমায় চুমু দেবার জন্য শেষবেলায় ঘুটঘুটে অন্ধকারে বসে থাকে অনির্বাণ। আমি অনির্বাণের চোখ।
কৃষ্ণ
... জমেছে ময়ূরের পালকে । বাঁশির ছিদ্রে তাই মহাপুরুষ। হেঁটে যাচ্ছেন রম্যা। অনির্বাণ, এবার বেরিয়ে দাঁড়াও। দেখো, অবসন্ন নদী আর কলসী, ঝুলে আছে ঠংঠং সভ্যতায়...
.jpeg)

খুব ভালো লাগল পিয়াংকীদি। লেখাটার প্রতিটি স্তর ব্যঞ্জনাময়। অতীত, পুরাণ, বর্তমান যেভাবে মিশিয়েছো লেখা টায়, বোঝাই যাচ্ছে পরিশ্রম। সার্থক হয়েছে। ভাবনার অবকাঠামো। এখন অনির্বাণ যেন নিঃশুল্কই বটে।
উত্তরমুছুনচমৎকার লিখলে পিয়াংকী। ঠংঠং সভ্যতা-- চমৎকার সব মিলিয়ে দিলে। --- শতাব্দী চক্রবর্তী
উত্তরমুছুনভালো লাগলো। – রাজদীপ ভট্টাচার্য
উত্তরমুছুনখুব সুন্দর তোমার কবিতা, তোমার মতো 🥰
উত্তরমুছুন