শতাব্দী চক্রবর্তী



 অকাতর


সম্পর্ক ভুলে যেতে কষ্ট গিলতে হয়

টিকিয়ে রাখার দায়ভার হয়তো ছিল শ্লীল ভঙ্গিমায়

যদিও প্লেটোনিক কোনো কিছুই নয় এ সময়ে

যেখানে পক্ষে পক্ষে অমাবস্যা নেমে আসে অযত্নেই। 



স্নেহভার কাকে দিই বলো? 

আকুল ছিল যে নদীপথ মুখোমুখি বসার

সেখানে চর এসে বাসা বাঁধে, 

তার ওপর ভাত চড়ায় 

একটি অচল উনুনে ফুঁ দিয়ে দিয়ে

কোনো এক যাযাবরের গনগনে স্ত্রী। 



সেই আগুনের পরশমণি গ্রাস করে 

অগ্রন্থিত কথাগুলি আমিও জ্বেলে দিই নির্বাণ লাভে

ওপরে মেঘাতিবুরুর জমাট ঢাল, তবুও

ভেতরে ভেতরে ভেসে যাই কত অনিদ্রার রাতে

এভাবেই গন্তব্য উড়ে যায়, মরে যায়—

একাকী পিচ্ছিল পথে।



মন্তব্যসমূহ

  1. ডঃ বিশ্বজিৎ বাউনা৯ এপ্রিল, ২০২৬ এ ৯:০২ AM

    সম্পর্কজনিত অন্তঃক্ষরণের উপলব্ধি সুন্দর ভাবে কবিতায় ধরা পড়েছে।

    উত্তরমুছুন
  2. চমৎকার লেখা। গনগনে স্ত্রী প্রয়োগটি অসামান্য হয়েছে।

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাজদীপ ভট্টাচার্য

সব্যসাচী মজুমদার

মঞ্জরী গোস্বামী