দেবার্ঘ সেন
ভোরের অচেনা শিশিরে...
আমি হতবাক হয়ে দেখছি দাঁড়িয়ে
দেবার্ঘ সেন আত্মহত্যা করেছে।
পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠানো হচ্ছে বডি।
এ খবর লেখা নেই কোত্থাও,
শুধু গুমোট হয়ে তাকিয়ে আছে ঘর দুয়ার।
খরস্রোতা হয়েছে স্থানীয় নদী-নালা
গম্ভীর হয়ে আছে বাতাস,
টিকালো নাক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে অ্যাম্বুলেন্স।
আমি হতবাক, কাতর হয়ে পড়ছি
পড়ছি অবসান লিপি, লিপি-জল
যেন আজ প্রকৃতিরও কিছু হয়েছে,
মুঠো মুঠো বজ্র-বিদ্যুৎ, মেঘ ভেঙে কাটছে সাঁতার।
আমি হতবাক হয়ে দেখছি দাঁড়িয়ে
রেলে কাটা পড়া চূর্ণবিচূর্ণ কবিতা,
যে তুমি দেবার্ঘ সেন-এর অসমাপ্ত প্রেমিকা
সে তুমি নিষ্প্রাণ বুকে যাবে কি মর্গে!
আমি হতবাক হয়ে দেখছি দাঁড়িয়ে
জনমানবহীন, এই অসাড় জগত
ছেয়ে ফেলেছে সাদা কাপড়ের থান
ভোরের অচেনা শিশিরে নিদ্রিত ঘাসে
শুয়ে আছে, অশনাক্ত ঈশ্বর-কণা।
.jpeg)

ভালো লাগলো। একটা আনক্যানি ফিলিংস। – রাজদীপ ভট্টাচার্য
উত্তরমুছুনআন্তরিক ধন্যবাদ দাদা।
মুছুনশুরুটা অত্যন্ত চমক দেওয়া তারপর পুরো লেখাটা এক ভাবে টেনে নিয়েছে। আমাদের হুগলি জেলায়, দেবার্ঘ্য আমার অত্যন্ত প্রিয় কবি
উত্তরমুছুনঅসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।
মুছুনএই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।
উত্তরমুছুনঅন্যরকম লেখা।
উত্তরমুছুনআন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন।
মুছুনঅসাধারণ। বিশেষ করে প্রথম, দ্বিতীয় ও চতুর্থ স্তবক। কবি নিজের থেকে বিযুক্ত হয়ে নিজেকে দেখছেন। অনেকটা ফরাসি দার্শনিক রোলাঁ বার্থের 'লেখকের মৃত্যু ' তত্ত্বের মতো, লেখার পর লেখা পাঠকের চোখ দিয়ে বিচার্য, তাই আর লেখকের থাকে না।
উত্তরমুছুনআন্তরিক ধন্যবাদ।
মুছুনএই দহনের কাছাকাছি এলেই শিহরন জাগে।
উত্তরমুছুন